Connect with us

খোলামত

পল্লীবিদ্যুতের চিকন ডাকাতি!

Published

on

সাইফুদ্দিন আহমেদ নান্নু: পল্লীবিদ্যুতের বিলের রেট অন্যসব অপারেটরের চেয়ে বেশি। এরা একমাস বাকি থাকলে লাইনও কাটে, আর বছরে দুইবার গণহারে ভূতুরে বিল বা বাড়তি বিলের চিকন ডাকাতি করে। এই ডাকাতিটা করে নিজেদের জোনের সিস্টেম লস কম দেখাতে। এরা প্রচুর দুনম্বরী লাইন দিয়ে পয়সা কামিয়ে কোম্পানির আয়ের যে ঘাটতিটা করে সেটা পুষিয়ে নেয়। নইলে হেড অফিসের প্যাদানি খেতে হয়। এই শয়তানদের ভূতুরে বিলের কায়দাটা আমি জানি, আপনারাও জেনে নিন। প্রিপেইড মিটার বাদে ডিজিটাল মিটারের গ্রহকদের এরা বছরে দুইবার বলির পাঠা বানায়। এরা প্রতিমাসে গ্রহকের পকেট কাটার বদ-মতলবে প্রতিমাসের বিলে ২০ ইউনিট, ৩০ ইউনিট করে বিল কম করে করে জমিয়ে রাখবে। তারপর ছমাস, সাত মাসের এই কম বিল করে জমিয়ে রাখা ইউনিটগুলো বছরের মাঝামাঝি এবং শেষ মাসে গিয়ে সেই মাসের বিলের সাথে একসাথে যোগ করে বিল করবে। ফলে আপনার ব্যবহৃত ইউনিটের পরিমাণ জাম্প করে প্রায় দ্বিগুণ, তিনগুণে দাঁড়াবে।

ধরুন, আপনি প্রতি মাসে ২শ বা আড়ইশ ইউনিট বিদ্যুতের বিল দেন ৫ টাকা ইউনিট হারে। যখনই সেটা ৪শ বা ৫শ ইউনিটে যাবে তখনই আপনাকে প্রতি ইউনিটের বিল দিতে হবে ৫ টাকার পরিবর্তে ১০ বা ১২ টাকা ইউনিট হিসেবে। আপনি রেগেমেগে মিটার রিডিং দেখতে গেলো দেখবেন রিডিং ঠিক আছে। কারণ মোট ইউনিটেতো কারসাজিটা হয়নি। ফলে আপনি তাদের ধরতেও পারবেন না। এই কৌশলে এরা ডাকাতিটা করে। এই ডাকাতি রোধের একমাত্র উপায় প্রতিমাসের রিডিং নেওয়ার সময় মিটার রিডারদের ঘাড়ের উপর দাঁড়িয়ে থাকা। যাতে কম লিখতে না পারে। কিন্তু সেটা করা কঠিন কাজ। প্রায় অসম্ভবও। এদের এই গোমরটা জেনেছি চাকুরিচ্যুত অথবা চাকুরি ছেড়ে দেওয়া মিটার রিডারদের কাছ থেকে। পল্লী বিদ্যুতের জিএম, ডিজিএম লেভেলের কর্তারা মিটাররিডারদের এসব করতে বাধ্য করে। ১২-৬-২৪। ফেসবুক থেকে

Advertisement
Comments
Advertisement

Trending